শুক্রবার, ১৪ মে ২০২১, ০২:১৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াদ বেনাপোলে গরু চুরি করে জবাইয়ের সময় জনতার হাতে ধরা। ভূরুঙ্গামারীতে অগ্রিম ঈদুল ফিতর উদযাপিত গুইমারা রিজিয়িনের সেনাবাহিনী কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলা বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৫ টি পিস্তল ৭ রাউন্ড গুলি ও ১ টি ম্যাগজিন উদ্ধার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন নাজমুল শাহজাদপুরে ৩০ শিক্ষার্থীর মাঝে পবিত্র কোরআন বিতরণ নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান নিয়ে প্রতারক চক্রের প্রতারণা। মানিকগঞ্জে এক হাজার দুঃস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন মিজানুর রহমান। মানিকগঞ্জের ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকে চেয়ারম্যান পদ প্রত্যাশী মোঃ আতিকুল ইসলাম শ্যামলের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। মানিকগঞ্জের জাগীর ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য পদ প্রত্যাশী মোঃ ছায়েদুর রহমানের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। মানিকগঞ্জে “মানুষের পাশে” সংগঠনের উদ্দ্যোগে মানবিক সহায়তা হিসেবে গবাদি পশু, সেলাই মেশিন, ও নগদ অর্থ প্রদান। মানিকগঞ্জে যুবলীগের পক্ষথেকে হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মানিকগঞ্জ পৌর যুবলীগ নেতা মোঃ মশিউর রহমান এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ খান এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শিহাব হোসেন এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ঘিওরে ২ হাজার দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করলেন – এমপি দুর্জয় ঈদ উপলক্ষে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ এইচ.এস.সি- ২০২১ ব্যাচ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ। লালমনিরহাটে আদিতমারীতে অভ্যন্তরিন বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন
টাঙ্গাইলে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের পরাজিত করা হবে

টাঙ্গাইলে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের পরাজিত করা হবে

রবিন তালুকদার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে যেভাবে পাকিস্থানী ও তাদের দোসরদের পরাজিত করা হয়েছে তেমনিভাবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতাকারীদের পরাজিত করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে যেমন ধ্বংস করা যাবে না, তেমনি কেউ যদি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করে বা ভাঙে তাহলে তাদেরকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মতো মোকাবেলা করে আবার পরাজিত করা হবে। তাদেরকে আবার আমাদের পায়ের নিচে পড়ে ক্ষমা চাইতে হবে।
কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল পৌরসভা আয়োজিত টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ভাস্কর্য ও মূর্তি এক নয়। ভাস্কর্যের একটা নান্দনিক দিক রয়েছে, এটি একটি শিল্প। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে যাতে করে তাঁর আদর্শ ও চেতনাকে এ দেশের ভবিষ্যত বা আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, জাগরূক রাখা যায়। ভাস্কর্য হচ্ছে স্মৃতিচিহ্ন বা স্মারক। এর মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবে এবং মানবপ্রেমে ও মানবসেবায় ব্রতী হবে। একাত্তরে নয় মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে যেভাবে পাকিস্থানী ও দোসরদের পরাজিত করেছি। তারা আমাদের পায়ের নিচে অস্ত্র সমর্পণ করেছে। আজকে যারা মনে করছে এ দেশকে পাকিস্থানের ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তালেবানীয় আফগানিস্থান বানাবে, ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবে তাদেরকে আমরা একাত্তরের মতো পরাজিত করব।
কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যারা ভেঙেছে তাদের বিচার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী তাদের এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এই আইনেই তাদের বিচার হবে। তাদেরকে অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরে বিএনপি জড়িত ও তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এদের সাথে জোট করে ক্ষমতায় এসেছিল। ভাঙচুরে অবশ্যই তাদের যোগসাজশ আছে। কিন্তু বিচার করতে গেলে প্রমাণ লাগে। ডিজিটাল যুগে প্রমাণসাপেক্ষে অবশ্যই তাদের বিচার হবে। তারা যদি অর্থ দিয়ে থাকে বা অন্যভাবে সহযোগিতা করে থাকে। তবে অবশ্যই তাদের বিচার হবে। যারা যারা অপরাধ করেছে তারা কেউই রেহাই পাবে না।
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশটিকে শুধু স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে চাননি। তিনি এটিকে বলেছিলেন মুক্তির সংগ্রাম। দেশটিকে তিনি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিকসহ সব দিক দিয়ে স্বাধীন করতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং ন্যায়-সমতার ভিত্তিতে একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তি দেশিয়-আন্তর্জাতিক ঘাতকচক্র ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। তারপর থেকে ২১ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছে। যার ধারাবাহিকতা হলো বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা ও ভাঙচুর।
টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
উল্লেখ্য, আজ টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ১১ ডিসেম্বরে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে টাঙ্গাইলকে মুক্ত করে। ১১ ডিসেম্বর সকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি বিশাল বাহিনী নিয়ে টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ করেন এবং থানা চত্বরে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

খবরটি শেয়ার করুন




somoyerbarta-rh6

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

All Right Reserve Daily Somoyer Barta © 2020. 

 
Design by Raytahost