মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজদিখানে যুবলীগ নেতার ছত্র ছায়ায় তৈরী হচ্ছে সন্ত্রাস বাহিনী দক্ষিণবঙ্গ সাংবাদিক ইউনিট ফেসবুক গ্রুপের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা। পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রিয়াদ বেনাপোলে গরু চুরি করে জবাইয়ের সময় জনতার হাতে ধরা। ভূরুঙ্গামারীতে অগ্রিম ঈদুল ফিতর উদযাপিত গুইমারা রিজিয়িনের সেনাবাহিনী কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান মুন্সিগঞ্জ জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে মুন্সিগঞ্জ জেলা বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৫ টি পিস্তল ৭ রাউন্ড গুলি ও ১ টি ম্যাগজিন উদ্ধার ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন নাজমুল শাহজাদপুরে ৩০ শিক্ষার্থীর মাঝে পবিত্র কোরআন বিতরণ নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান নিয়ে প্রতারক চক্রের প্রতারণা। মানিকগঞ্জে এক হাজার দুঃস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন মিজানুর রহমান। মানিকগঞ্জের ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকে চেয়ারম্যান পদ প্রত্যাশী মোঃ আতিকুল ইসলাম শ্যামলের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। মানিকগঞ্জের জাগীর ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য পদ প্রত্যাশী মোঃ ছায়েদুর রহমানের ঈদ উল ফিতরের শুভেচ্ছা। মানিকগঞ্জে “মানুষের পাশে” সংগঠনের উদ্দ্যোগে মানবিক সহায়তা হিসেবে গবাদি পশু, সেলাই মেশিন, ও নগদ অর্থ প্রদান। মানিকগঞ্জে যুবলীগের পক্ষথেকে হাজারের অধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ মানিকগঞ্জ পৌর যুবলীগ নেতা মোঃ মশিউর রহমান এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগ নেতা নূর মোহাম্মদ খান এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শিহাব হোসেন এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ঘিওরে ২ হাজার দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ বস্ত্র বিতরণ করলেন – এমপি দুর্জয়
জাতীয় কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

জাতীয় কিন্ডারগার্টেন স্কুল-কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

ঢাকা প্রতিনিধি : হাসিব হক

২০ জানুয়ারি, বুধবার, সকাল-১১:৩০টায়, চাইল্ড হেভেন স্কুলের “সৈয়দ শামসুল হক হল” এ জাতীয় কিন্ডার গার্টেন স্কুল-কলেজ ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ” এর উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আহসান সিদ্দিকী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমীপে নিম্নলিখিত দাবিসমূহ তুলে ধরেন- ১) ৩১ জানুয়ারি মধ্যে সারা বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানান। ২) টিকে থাকার জন্য প্রত্যেক কে.জি. স্কুল ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের ১,০০০কোটি টাকা আর্থিক অনুদান/প্রণোদনার ব্যবস্থা করা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রায় সকল কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে ভাড়া-বাড়িতে পরিচালিত হয়ে আসছে। সারা বাংলাদেশে এরকম প্রায় ৬৫হাজার শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আছে। এতে প্রায় ১২ লক্ষ শিক্ষক কর্মচারী কর্মরত আছে।আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সম্পূর্ণভাবে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত টিউশান ফি দ্বারা পরিচালিত হয়। করোনা ভাইরাসের কারণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৭ই মার্চ দেশের সকল কিন্ডারগার্টেন ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এর পর থেকে কোন প্রতিষ্ঠান এক টাকাও টিউশন ফি পায়নি, যার কারনে প্রতিষ্ঠানের বাড়িভাড়া ও শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনও দেওয়া যাচ্ছে না। ইতিমধ্যে অনেক স্কুল ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় এবং লক্ষ লক্ষ শিক্ষক ও কর্মচারী বেকার হয়ে যায়। পৃথিবীতে আপনার মত যোগ্য, দক্ষ, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ এবং মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী থাকতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া খুবই দুঃখজনক। শিক্ষকরা জাতির বিবেক, এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা প্রায় এক কোটি শিশু শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষা এবং প্রায় ২ কোটি শিক্ষার্থীকে সাংস্কৃতিক শিক্ষা দান করে দেশসেবা করে আসছে। করোনার প্রভাবে এই সেক্টরের সাথে জড়িত সকল শিক্ষক কর্মচারী আজ অসহায় ও মানবেতর দিনাতিপাত করছে। আমাদের সমস্ত আয় রোজগারের পথ আজ বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোথাও ত্রাণের জন্য হাত পাততে পারছিনা, ধার চাইলেও এই পরিস্থিতিতে কেউ আমাদের ধার দিচ্ছে না। এই মহামারীতে আমাদের আয় রোজগার না থাকলেও সংসার খরচ ও বাড়িভাড়া থেমে নেই। বাড়িওয়ালারা ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই মহামারিতে কোন জনপ্রতিনিধি আমাদের শিক্ষকদের প্রতি একটু খোজ খবরও নেয়নি। অনেক শিক্ষক অনাহারে-অধর্হারে ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকে স্কুল বিক্রির নোটিশ দিচ্ছে। জীবিকা নির্বাহের জন্য কেউ ফল বিক্রি করে, কেউ দিনমজুরের কাজ করে, কেউ রাজমিস্ত্রী, কেউ হকার, কেউ পাঠাও চালায়। অনেকে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মমতাময়ী মা, আমাদের এই বিপুলসংখ্যক অসহায় পরিচালক, শিক্ষক ও কর্মচারীদের দিকে একটু নজর দেওয়ার জন্য আপনার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

৩১ জানুয়ারির পর স্কুল না খোলা হলে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ আহমেদ এর সঞ্চালনায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ সভাপতি-মানিক সিংহ রায়, এম এ মিলন, মোক্তার আহমেদ অপু, মোঃ আসাদুল্লাহ, উদয় শংকর বসাক, রাজেস ঘোষ, মোঃ আকরাম হোসেন, সাদিয়া ইসলাম শান্তা, নাহিদা আক্তার, রিতা দাস মুমু, শিপ্রা বসু, মোঃ নাফিস ইসলাম, অন্যান্য শিক্ষক ওপরিচালকবৃন্দ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা উদ্যোক্তাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য বক্তারা ৩১ জানুয়ারির মধ্যে স্কুল খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানান। অন্যথায় ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন




somoyerbarta-rh6

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

All Right Reserve Daily Somoyer Barta © 2020. 

 
Design by Raytahost