রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে মাটির ঘর টাঙ্গাইল ৪৪০ পিস ইয়াবাসহ ১ নারী গ্রেফতার সিরাজদিখানে ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকির অভিযোগ লালমনিরহাটে দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া বাংলা আমার গৈলার প্রবীন শিক্ষক (অবঃ) কবি অবিচল মান্নান সরদারের ইন্তেকাল, দাফন সম্পন্ন। স্কাউটিংয়ে প্রথম ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করলেন বাংলাদেশের ঈসা মোহাম্মদ তোমাতে আমি বড়লেখা নারী শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম হেলাল উদ্দিন। পত্নীতলা উপজেলা কবি পরিষদ সভাপতি গুলজার, সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার শাহজাদপুরে বাঁশের সাঁকোয় ২৫ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের ঝূঁকিপূর্ণ চলাচল। বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ মাদক বিক্রেতা আটক অভাবের কারণেই কি মিজানুরের মেডিকেলে পড়ার সুযোগ হবে না? লালমনিরহা জেলায় চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ ॥ ভুক্তভোগীকে হুমকি বেনাপোলে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলা,থানায় অভিযোগ দায়ের আগৈলঝাড়ায় ঢিলেঢালা লকডাউন, নেই সামাজিক দূরত্ব, নেই স্বাস্থ্যবিধি। করোনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সন্ত্রাসী হামলার শিকার সাংবাদিক তৌহিদ কোভিড আক্রান্ত রোগীকে সহকারী পুলিশ কমিশনার(ট্রাফিক) এর প্লাজমা দান। মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সদস্য ত্রয়োর উদ্দোগ্যে মাস্ক বিতরন ।
মা আমাকে হসপিটালে ভর্তী করছো না কেন- মৃত্যুশয্যায় ছাত্রলীগ নেতা মিরু

মা আমাকে হসপিটালে ভর্তী করছো না কেন- মৃত্যুশয্যায় ছাত্রলীগ নেতা মিরু

মানিকগঞ্জ:

শরীরে ৫২ টি কোপ খেয়ে ৯ ঘন্টা বিনা চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ হতে হতে মারা গেলো মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিংগাইর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ এর ভিপি ফারুক হোসেন মিরু। প্রথমে তাকে সিঙ্গাইর উপজেলার একটি হসপিটাল, সেখান থেকে ঢাকায় পঙ্গু হসপিটাল, সেখান থেকে পার্শবর্তী একটা প্রাইভেট (সম্ভবত ক্রিসেন্ট) হসপিটাল, সেখান থেকে স্পেশালাইজড হসপিটাল, এরপর ঢাকা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি হয়ে পূনরায় পঙ্গুতে এসে ভর্তী করানো হয় এ ছাত্রলীগ নেতাকে ।

রাত প্রায় ৪ টায় ভর্তী হয়েও সকাল দশটায় অপারেশন করানো হয় ঢাকা পঙ্গুত হাসপাতালে। রাত দেড়টা থেকে সকাল ১০ঃ০০ টা প্রায় নয় ঘন্টা বিনা চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ হতে থাকে এ ছাত্রলীগ নেতার শরীর থেকে। 

পরিবারের দাবি সঠিক সময়ে চিকিৎসা করাতে পারলে হয়ত বেঁচে যেত মিরু। এইদিকে তার মা বলেন, আমার বাবা বারবার বলতেছিল, মা তোমরা আমাকে ভর্তী করাও না কেন, তোমরা আমায় কই নিয়ে যাচ্ছো? আমার চিকিৎসা হচ্ছে না কেন?  

মিরুর বড় ভাই বলেন, রাত চারটার দিকে পঙ্গুতে একজন মহিলা ডাক্তার ছিলো, আমরা তাকে অনেক অনুরোধ করি চিকিৎসা করার কিন্তু তিনি বলেন তার শিফটি শেষ। পরবর্তী ডাক্তার আসবে। তখন ভোর চারটা বাজে অথচ শিফটি শেষ ৬ টায়। তিনি দুই ঘন্টা আগেই  চিকিৎসা না করে চলেন গেলেন।  

এদিকে মিরুর সংগঠন ছাত্রলীগ শোক জানিয়ে একটা প্রেস দিয়েই সব শেষ। নেই কোন প্রতিবাদ কর্মসূচি, বিচার চেয়ে মিছিল কিংবা প্রতিবাদ। তারা বরং ক্রিকেট খেলায় মগ্ন। ফারুক হোসেন মিরুর রক্তের দাগ এখনো শুখায়নি। জীবনের শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত প্রটোকল দেওয়া স্থানীয় সাংসদ কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম সেদিনই গান গেয়ে মঞ্চ কাপাচ্ছে। নেই নূন্যতম অনুশোচনা। 

খবরটি শেয়ার করুন




somoyerbarta-rh6

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

All Right Reserve Daily Somoyer Barta © 2020. 

 
Design by Raytahost