বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
লালমনিরহাটের মিজানুর রহমানের মেডিকেলে পড়ার দায়িত্ব আতাউর রহমান প্রধান নড়াইলে ব্যবসায়ীকে গুলি অস্ত্রসহ যুবক গ্রেফতার আগৈলঝাড়ায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন পালিত- ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা। মানবিক বাংলাদেশ সাপাহার উপজেলা শাখার মাস্ক বিতরন। টাংগাইলের সফল নারী উদ্যোক্তা “পল্লবী পাল” তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় পরিষদের অভিষেক সম্পন্ন আগৈলঝাড়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত। নড়াইলে ব্যবসায়ীকে গুলির ঘটনায় জড়িত আরো এক আসামী গ্রেফতার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (পঞ্চম শ্রেণি) লালমনিরহাটে অন লাইনে সাংবাদিক দের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পরিচিতি সভা সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের উদ্বোধন টুঙ্গিপাড়ায় বাবুল শেখের মাস্ক বিতরণ। দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে মাঠে আছেন- টিপু কলোড়া ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও সম্পাদকক কে অবাঞ্ছিত ঘোষণা যৌতুকের দাবিতে মাগুরায় গৃহবধূকে পিটিয়ে হাত পা ভেঙ্গে দিয়ে হাসপাতালে ফেলে গেল স্বামী সাপাহারে আম গবেষণাগার ও সংরক্ষণাগার স্থাপনের দাবী আমচাষীদের শাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরণ মাহে রমজান উপলক্ষে জমিয়ত নেতা মাওলানা আফেন্দীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ আগৈলঝাড়ায় সাবেক শিক্ষক ও কবি অবিচল মিয়া মান্নান সরদারের কুলখানি অনুষ্ঠিত। আগৈলঝাড়ায় দীর্ঘ নয় মাস পরও উদ্ধার হয়নি নিখোঁজ ফিলিপ।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিদেশ ফেরত স্বামীর অর্থ – সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে স্বামী সহ শশুর – শাশুড়ীর বিরুদ্ধে আদালতে স্ত্রীর মামলা।

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বিদেশ ফেরত স্বামীর অর্থ – সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে স্বামী সহ শশুর – শাশুড়ীর বিরুদ্ধে আদালতে স্ত্রীর মামলা।

মোঃ আশরাফুল ইসলাম,  বিশেষ প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর উপজেলার কালিয়াকৈর গ্রামে বিদেশ ফেরত স্বামীর অর্থ – সম্পদ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে স্বামী ও শশুর-শাশুড়ীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে মোঃ আবুল হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া। দুবাই প্রবাসী আবুল হোসেন কালিয়াকৈর গ্রামের আঃ রশিদের ছেলে।

আবুল গত জানুয়ারি মাসে দেশে আসার পর তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে স্ত্রীর একাউন্টে দেওয়া প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা ও প্রায় ৬-৭ ভরি গহনার দাবিতে সিংগাইর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন আবুল হোসেন।

পরবর্তীতে আবুলের স্ত্রী সুফিয়া আবুল ও আবুলের বাবা আঃ রশিদ এবং শাশুড়ী শিরিন আক্তারের নামে আদালতে যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা দায়ের করে। মামলা নম্বর সি/আর…… আবুলকে ১ নং, আঃ রশিদ ও শিরিন আক্তারকে ২ ও ৩ নং আসামী করে মামলার এজহার সূত্র অনুযায়ী “আবুল হোসেন দুবাই থাকতো।সে অন্য রাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার স্ত্রী সুফিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ৫ লক্ষ টাকা আনতে বলে। টাকা না আনলে তাকে তালাক দেওয়ার কথা বলে ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে। আবুলের বাবা আঃ রশিদ এবং মা শিরিন আক্তার সুফিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ নানা ভাবে নির্যাতন করে।”

এলাকাবাসী ও তথ্যসূত্র থেকে জানা যায়, আবুল দুবাই থাকতো।২০১১ সালের ডিসেম্বরে আবুল ছুটিতে দেশে আসার পর ২০১২ সালের জানুয়ারী মসে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার  অরঙ্গবাদ গ্রামের সোনামুদ্দিনের মেয়ে সুফিয়াকে প্রস্তাবের মাধ্যমে বিবাহ করেন। বিবাহের কয়েক দিন পরেই আবুল প্রবাসে ফিরে যান। প্রতি বছর দু’মাসের জন্য ছুটিতে আবুল দেশে আসতেন।আবুল দেশে না থাকায় অধিকাংশ সময়ই সুফিয়া তার পিত্রালয়ে থাকতো। মাঝে মাঝে শশুর বাড়িতে আসলেও শশুর – শাশুড়ীর সঙ্গে সু-সম্পর্ক ছিলোনা সুফিয়ার।

স্থানীয় লোকজন জানান, ” আবুল  দেশে না থাকায় আবুলের স্ত্রী সুফিয়া এখানে থাকতোনা। মাঝে মাঝে কয়েক দিনের জন্য আসতো। অল্প কয়েকদিন থাকলেও শশুর – শাশুড়ীর সাথে ঝগড়া ও খুব খারাপ ব্যবহার করতো। কেউ কিছু বলতে গেলে তাদের সাথেও খারাপ আচরণ করতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশী জানান, “আবুলের স্ত্রীর অন্য কারো সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে। কেননা মাঝে মধ্যেই অন্য এলাকার কিছু সংখ্যক ছেলেকে আবুলের বাড়ির সামনে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যেত। আর আবুলের স্ত্রী তখন বাহিরে এসে তাদের সাথে কথা বলতো।

” আবুলের পিতা আঃ রশিদ বলেন,  ” আমি আগে বিদেশে থাকতাম।এখন ছেলে থাকে। আমারদের কোন কিছুর অভাব নেই।আমার ছেলের বউ আমাকে সহ আমার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে যৌতুকের মিথ্যা মামলা করেছে। আমরা কখনও ছেলের বউয়ের কাছে যৌতুক চইনি আর কোন নির্যাতনও করিনি।”

এবিষয়ে আবুল হোসেন বলেন, ” আমি দুবাই থাকতাম। প্রতি বছরই দু’মাসের জন্য ছুটিতে আসি। এবার একেবারে চলে আসছি। আমি আর বিদেশ যাবনা। আর আমি বা আমার পরিবারের কেউ যৌতুক চাইনি। বরং আমি আমার স্ত্রীকে প্রায় ৬-৭ ভরি গহনা সহ আমার উপার্জিত প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা তাকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে পাঠিয়েছি। সুফিয়া চলে যাবার পর তাকে ফিরিয়ে আনতে না পেরে আমি সিংগাইর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছি।যার সিরিয়াল নম্বর ১২৫০। এবং প্রতিবারে আমি দেশে ফেরার সময় আমার স্ত্রীর জন্য অর্থ সম্পদ নিয়ে এসেছি এবং তা তার হাতেই দিয়েছি।

এবিষয়ে আবুল হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া বলেন, ” আমার স্বামী দুবাই থাকে।গত জানুয়ারিতে সে দেশে এসে অন্য কোন রাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য যৌতুক চায় আর আমাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে। আমি আমার বাবার বাড়িতে আসলে তারা আমার নামে থানায় জিডি করে। তাই আমি উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করি।”

খবরটি শেয়ার করুন




somoyerbarta-rh6

© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

All Right Reserve Daily Somoyer Barta © 2020. 

 
Design by Raytahost